লামিয়াঃ উপাস্য শয়তানের অজানা গল্প



বাংলাদেশ সহ আরো অনেক দেশের মানুষের নাম লামিয়া হয়ে থাকে। ইসলামধর্ম অনুসারী অনেকেই আরবি বর্ণ “লাম” এবং “ইয়া” একত্রিত করে লামিয়া নাম রেখে থাকেন। নামের অর্থ যদি এরকম হয় তাহলে বেশ ঠিক আছে। এবার চলুন জেনে নি, লামিয়ার (Lamia) গল্প।
গ্রিক পুরাণশাস্ত্র অনুযায়ী লামিয়া ছিল এক শিশুভক্ষক ডেমন। গ্রিক সুমুদ্রের রাজা পেসুইডনের কন্য এবং লেবিয়ানের রানী ছিল লামিয়া। কথিত আছে, যিশু লামিয়াকে পছন্দ করতেন। এজন্য যিশুর হিংসুক স্ত্রী হেরা লামিয়ার শিশু চুরি করেন। এই শোকে লামিয়া পাগল হয়ে যায় এবং নিজের হাতেই নিজের চোখ উপড়ে ফেলেন। এরপর যিশু তাকে এই বিশেষ ডেমন শক্তি প্রদান করেন প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য।
পরবর্তীতে বিভিন্ন গল্পে লামিয়াকে পাওয়া যায় এক উপাস্য শয়তান হিসাবে। লামিয়া দেখতে অর্ধেক মানুষ এবং বাকি অর্ধেক ছাগলের আকৃতির। কিছু মানুষ লামিয়াকে পূজা করত কিছু আধ্যাত্মিক শয়তানি শক্তি পাওয়ার জন্য। পূজারীরা মানুষভক্ষক লামিয়ার সন্তুষ্টির জন্য লামিয়ার কাছে মানুষকে উৎসর্গ করত। তবে উৎসর্গের ব্যাপারটা ছিল অন্যরকম। যাকে উৎসর্গ করতে চাইতো তার ব্যবহৃত কোনো বস্তু লামিয়ার নামে উৎসর্গ করত এবং লামিয়া ঐ বস্তুর মালিককে এক সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গ্রাস করত।
Previous
Next Post »